মিশরকে প্রাচীন সভ্যতার রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মিশরে রয়েছে অসংখ্য মন্দির ও পিরামিড। পিরামিড থাকার কারণে দেশটিকে পিরামিডের দেশ হিসেবে অভিহিত করা হয়। মিশরে অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান রয়েছে। তার মধ্যে সেরা ১০টি দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে আজ আপনাদের জানাবো।
১. কায়রো
মিশরের রাজধানী কায়রো। নীলনদের তীরে শহরটি অবস্থিত। নীলনদের জন্য কায়রো শহর দর্শনার্থীদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত শহরের নাম। মিশরের ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য মিশরীয় মিউজিয়াম উল্লেখযোগ্য একটি জায়গা। কায়রো শহরে রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক মসজিদ। ফাতেমীয় খিলাফতের সময় নির্মিত তুলুন কায়রোর সবচেয়ে পুরনো মসজিদ।
২. আলেক্সান্দ্রিয়া
মিশরের অন্যতম বড় শহর আলেক্সান্দ্রিয়া। ৩৩১ সালে আলেক্সান্ডার দ্য গ্রেট এই শহর নির্মাণ করেন। আলেক্সান্দ্রা থেকে ক্লিওপেট্রাসহ অন্যান্য ফারাও রাজা মিশর শাসন করেছেন। ৩০ সালের দিকে এই শহর রোমান শাসনাধীনে ছিলো। সমুদ্র তীরবর্তী আলেক্সান্দ্রিয়া শহরে বর্তমানে ৫ মিলিয়ন মানুষের বসবাস রয়েছে। আলেক্সান্দ্রিয়ায় রয়েছে লাইব্রেরিসহ অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা। লাইব্রেরিটি চতুর্দশ শতকে ভূমিকম্পের কারণে ধ্বসে পড়ে। ২০০২ সালে ওই স্থানে নতুন আরেকটি লাইব্রেরি নির্মিত হয়।
৩. হার্ঘাদা
হার্ঘাদা শহরকে মিশরের রিসোর্টের শহর হিসেবে বলা হয়। শহরটির অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা শার্ম ইআই শেখ ও দাহাব। এই শহরে রয়েছে মনোমুগ্ধকর সমুদ্রসৈকত। বিশ্বের মানুষের কাছে হার্ঘাদা শহর অনেক পছন্দের শহর।
৪. সাকারা
সাকারা মিশরের একটি গ্রাম। এখানে রয়েছে অসংখ্য পিরামিড। উনবিংশ শতকে গড়ে ওঠা নিল উপত্যকা দর্শনার্থীদের কাছে অনেক পছন্দের। মেমফিস শহরের একটি প্রাচীন গ্রাম সাকারা। সাকারা শব্দটি সোকার দেবতার নাম থেকে এসেছে। মিশরীয় যাকে মৃতদেহের দেবতা হিসেবে বিশ্বাস করে থাকে। এই শহরে অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে।
৫. সিওয়া ওয়াসিস
সিওয়া ওয়াসিস শহরে ষষ্ঠ বা সপ্তম শতাব্দিতে নির্মিত আমন দেবতার মন্দির অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই শহরে রয়েছে মাটির তৈরি দুর্গ। সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান হলো ক্লিওপেট্রার স্নানাগার। রয়েছে সিওয়া নামে একটি হ্রদ। বসন্তকালে পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
