ঘড়ি বাঁচাল মালিকের জীবন

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ১৫:০৮

 কুকুর তার মনিবের জীবন বাঁচিয়েছে— এমন খবর হর হামেশায় শোনা যায়। কিন্তু ঘড়িও একটি কুকুরের মতো মানুষের জীবন বাঁচাল, এটি চিন্তা করা পুরোটাই অবাস্তব। কেননা ঘড়ির তো কোনো প্রাণ, চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা নেই।

কিন্তু সম্প্রতি আমেরিকায় যা হলো, তা কল্পনাকেও হার মানায়। এক ব্যক্তি মারা যাওয়ার সময় তাঁর হাতের ঘড়ি তাঁকে বাঁচিয়ে তোলে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, জস ফুরম্যান নামের ৪০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ‘টাইপ ওয়ান’ ডায়বেটিসে আক্রান্ত। একদিন হুট করেই তাঁর দেহে চিনির মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে যায়। এত কমে যায় যে, তিনি সেন্সলেস হয়ে যান। এর পর ফ্লোরে পড়ে যান তিনি। 

তখন ওই ব্যক্তির কাছে কেউ ছিলেন না। এর পর তাঁর হাতে থাকা অ্যাপলের ঘড়ি সেটি টের পেয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গেই এটি জরুরি নম্বর ৯১১ এ ফোন করে এই তথ্য জানিয়ে দেয়। 

এসব তথ্য যখন বলছিলেন, তখনো পুরো সুস্থ হননি ফুরম্যান। তিনি বলেন, ‘আমি কতক্ষণ অজ্ঞান ছিলাম, মনে নেই। জেগে শুনি আমাকে বাঁচাতে ৯১১ এ ফোন করেছিল আমারই হাতের ঘড়ি। ঘড়িতে থাকা জিপিএস সুবিধার কারণে তারা আমাকে খুঁজে পান।’    

তবে নিজের অসুস্থতার কথা ভেবে আগেই অ্যাপল ওয়াচে সব ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন ফুরম্যান। ওই ঘড়িতে জরুরি কিছু নম্বর যুক্ত করা আছে। 

প্রযুক্তি মানুষের কতটা উপকারে আসতে পারে, এই ব্যক্তির মাধ্যমেই তা পরিষ্কার। এমনকি মানুষ কিছু না করলেও প্রযুক্তি তা ধরতে পেরে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারে। 

 

২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল: অ্যান্টার্কটিকার বরফে ‘ভূতের’ খোঁজ, নিউট্রিনো কীভাবে বদলে দিচ্ছে মহাবিশ্বকে দেখার ধারণা?

ডিএসএলআরের মতো স্মার্টফোনেই ছবি তুলতে সহায়ক ৫ অ্যাপ

১০০ টুকরা হলো স্যাটেলাইট!

অ্যাপলের বিরুদ্ধে কয়েক শ কোটি ডলার জরিমানা

দুই নভোচারী মহাকাশ স্টেশনে আটকা পড়েছেন

যেভাবে চ্যাটজিপিটির হিস্ট্রি ডিলিট করবেন

আরও BUZZ

২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল: অ্যান্টার্কটিকার বরফে ‘ভূতের’ খোঁজ, নিউট্রিনো কীভাবে বদলে দিচ্ছে মহাবিশ্বকে দেখার ধারণা?

নানা পাটেকর: অভিনয়জীবন, জনপ্রিয় সিনেমা, ব্যক্তিগত জীবন ও সংগ্রামের গল্প

সেশ্যেলস আইল্যান্ডে নেচার ট্রেইল চ্যালেঞ্জের তৃতীয় আসর

সিটি অব গড সিনেমা: ব্রাজিলের ফাভেলা অপরাধ ও দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতা

পিরামিড: মরুর বুকে লেখা অমরত্বের গল্প