ভুতের গলি: Mr. boot নামের এক বৃটিশের নামানুসারে বুটের গলি এবং পরবর্তিতে ভুতের গলি নাম হয়েছে।
ধানমন্ডি: ধান ও বিভিন্ন শস্য বিক্রির বিশাল একটি হাট বোসতো এবং এটি খুব এ বিখ্যাত ছিল। এই খান থেকে মূলত ধানমন্ডি নামের আবির্ভাব ঘটে।
গেন্ডারিয়া: আগের দিনের অভিজাত ও ধনী লোকজন এই খানে বাস করত। ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে গেন্ডারিয়া নামটি এসেছে।
এলিফ্যানট রোড: হাতিকে গোসল করানোর জন্য পিলখানা থেকে হাতির ঝিলে নিয়ে যাওয়া হতো। সন্ধ্যের আগেই হাতির দল পিলখানায় চলে আসতো। হাতি যাওয়া আসা করতো এই রাস্তা দিয়ে যার ফলে পরবর্তিতে এই রাস্তার নাম হয়ে উঠে এলিফ্যানট রোড।
হাতির পুল: হাতির গোসল শেষে ফেরার পথে একটা ছোট্ট একটি কাঠের পুল পরত, পরবর্তীতে হাতির পুল নামকরণ করা হয় এই জায়গার।
হাতির ঝিল: এই খানে অনেক হাতিকে গসল করানোর জন্য আনা হতো, এই ভাবে হাতির ঝিল নামের উৎপত্তি।
মহাখালি: মহা কালী নামের এক মন্দীরের নাম থেকে এসেছে বর্তমানের মহাখালী।
মহাখালি: ইংরেজ শাসনামলে বিভিন্ন কাজের জন্য হাতি ব্যবহার করা হতো। বন্য হাতিকে পোষ মানানো হোতো যেসব জায়গায়, তাকে বলা হোতো পিলখানা। বর্তমানের "পিলখানা" নামটিও এসেছে এইভাবে।
ইন্দিরা রোড: দ্বিজদাস বাবু নামের এক বিত্তবান ব্যক্তি তার বাসাস্থানের সামনের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামে নামকরণ করেন।
কাকরাইল: ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ করেন কাকরাইল।
গোপীবাগ: গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন যার পাশেই ছিলো ফুলের বাগান যা থেকে গোপীবাগ নামের উৎপত্তি।
রমনা পার্ক: বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির"। মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক।
পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"।
তোপখানা: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে।
টিকাটুলি: হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো যেথায় সেটাই "টিকাটুলি"।
পুরানা পল্টন, নয়া পল্টন: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাবাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন। পরবর্তীতে আগাখানিরা এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন, নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা।
বায়তুল মোকারম নাম:১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনায় পুরানো ঢাকা-নতুন ঢাকার মাঝে রাস্তার কাজ শুরু হয়। এখানে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক বাড়িঘর ছিল।আগাখানীদের নেতা আব্দুল লতিফ বাওয়ানী (বাওয়ানী জুট মিলের মালিক) সরকারকে প্রস্তাব দিলো, তারা নিজ খরচে এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ তৈরী করবে। এটা একটা বিরাট পুকুর ছিল "পল্টন পুকুর", এই পুকুরে একসময় ব্রিটিশ সৈন্যরা গোসল কোরতো। ১৯৬৮ সনে মসজিদ ও মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয়।
পরীবাগ: নবাব আহসানউল্লাহর এক মেয়ের নাম ছিল পরীবানু। পরীবানুর নামে এখানে একটি বড় বাগান করেছিলেন আহসানউল্লাহ যা পরবর্তিতে পরীবাগ নাম হয়ে যায়।
পাগলাপুলঃ ১৭ শতকে এখানে একটি নদী ছিল, নাম-পাগলা। মীর জুমলা নদীর উপর সুন্দর একটি পুল তৈরি করেছিলেন।অনেকেই সেই দৃষ্টিনন্দন পুল দেখতে আসত। সেখান থেকেই জায়গার নাম "পাগলাপুল"।
ফার্মগেট: কৃষি উন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালন গবেষণার জন্য বৃটিশ সরকার এখানে একটি ফার্ম বা খামার তৈরি করেছিল। সেই ফার্মের প্রধান ফটক বা গেট থেকে এলাকার নাম হোলো ফার্মগেট।
শ্যামলী: ১৯৫৭ সালে সমাজকর্মী আব্দুল গণি হায়দারসহ বেশ কিছু ব্যক্তি এ এলাকায় বাড়ি করেন। এখানে যেহেতু প্রচুর গাছপালা ছিল তাই সবাই মিলে আলোচনা করে এলাকার নাম রাখেন শ্যামলী।
সূত্রাপুর: কাঠের কাজ যারা করতেন তাদের বলা হত সূত্রধর। এ এলাকায় এককালে অনেক শূত্রধর পরিবারের বসবাস ছিলো । সেই থেকেই জায়গার নাম হোলো সূত্রাপুর।
(সংগৃহীত)
