‘নীলাম্বরি’র নীল সৌন্দর্য

আপডেট : ০৪ জুন ২০২১, ০২:২৮

সবুজ গাছ আর পাতার রাজ্যে যেন এক বিন্দু নীল! নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে একা। উড়ে যাবার ইচ্ছে নেই। শুধুই একমনে এদিক-ওদিক দূর-দৃষ্টি নিক্ষেপ।

নীলের এই অপূর্ব সম্ভারই তাকে প্রকৃতিতে বিশেষত্ব দান করেছে। চিনে নিতে অসুবিধে হয় না পাখিটিকে। তার এমন হালকা নীল সৌন্দর্য বরাবরই মনকে রাঙায়। মনকে বরাবরই মুগ্ধতা দান করে এই পরিযায়ী।

ক্ষুদ্র হলেও তার কার্যশক্তি অতি প্রখর। বিশ্বস্ত ডানায় পাড়ি দিতে পারে প্রায় ২০ হাজারের উড়ন্ত পথ! তবে একসঙ্গে নয়; একটু একটু করে। গাছে গাছে। পাতা আর ডালে ডালে। পাখিটির নাম নীলাম্বরি। ইংরেজি নাম Verditer Flycatcher এবং বৈজ্ঞানিক নাম Eumyias Poliogenys। তার দৈর্ঘ্য মাত্র ১৬ সেন্টিমিটার। নীল-কটকটিয়া, নীল চটক নামেও উল্লেখ হয় তাদের। এরা আকারে দোয়েলের মতো। শীতে পাহাড়ে ওঠে যায়। হিমালয়ের উপর থাকে। এমনি কি ওরা তুন্দ্রাতে চলে যায়। অথবা তাইগাতেও চলে যায়। উড়ে উড়ে ওরা দশ হাজার কিংবা বিশ হাজার কিলোমিটার দূরেও চলে যেতে পারে।

এরা বাংলাদেশ থেকেও দক্ষিণে চলে যায়। এখানে যে ওরা পুরো শীতটা কাটায় তাও নয়। অনেকে আরো দক্ষিণে অর্থাৎ থাইল্যান্ড, ফিলিপাইনেও চলে যায়। আর যদি আপনি উত্তরে যান অর্থাৎ ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল বা হিমালয়, ভূটান বা নেপালে তখনও দেখতে পাবেন এই পাখিদের। তারা বাসা করছে অরণ্যেক পরিবেশে।

ওরা পাহাড়ি গাছের ডালে বাসা বাঁধে। গ্রীষ্মে ওরা উত্তরের দিকে চলে যেতে থাকে। যেখানে খুব বেশি গরম নয়, এবং বৃষ্টিও বেশি নয় এমন জায়গায়। প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন (আইইউসিএন) এর তালিকায় নীলাম্বরি ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত তালিকার পাখি।

বুক চিতিয়ে চিম্বুক পাহাড়

ভ্রমণপিপাসুদের ডাকছে সিন্দুকছড়ি

সেচপ্রকল্প যখন পর্যটনকেন্দ্র

তুরস্কের সৌন্দর্য

পর্যটন কেন্দ্রেও বৈশ্বিক উষ্ণতার উত্তাপ

দে ছুট, অন্ধকারের সৌন্দর্য টানে!

আরও BUZZ

সেশ্যেলস আইল্যান্ডে নেচার ট্রেইল চ্যালেঞ্জের তৃতীয় আসর

সিটি অব গড সিনেমা: ব্রাজিলের ফাভেলা অপরাধ ও দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতা

আজকের খেলার সময়সূচি

আজকের যত খেলা

পিরামিড: মরুর বুকে লেখা অমরত্বের গল্প