পারমাণবিক বিস্ফোরণ কতটা ভয়াবহ হতে পারে

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৩, ১১:৫১

রাশিয়া পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়ে আসছে বেশ কিছু দিন থেকেই। আমেরিকাও পিছিয়ে নেই। পাল্টা হুমকি দিয়ে আসছে তারাও। 


আমেরিকাই এক মাত্র দেশ যারা মানুষ মারার উদ্দেশে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করেছিলো ।

১৯৯৫ সালের ৬ অগাস্ট তারা জাপানের হিরোশিমা তে লিটল বয় নামের পারমাণবিক বোমা হামলা করে। এতে প্রায় ৭০০০০ থেকে ৯০০০০ এর মত মানুষ মারা যায়। এছারাও এই খান থেকে যে ক্ষতি সাধন হয় তা আসলে হিসেবের বাইরে।

লিটল বয় এর শক্তি ছিল ১৫ কিলোটন  TNT এর সমান। আধুনিক পারমাণবিক বোমা গুলো এর ছেয়ে প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি শক্তিশালী।

আমেরিকা অ্যান্ড রাশিয়া বিশ্বের প্রায় ৯০ ভাগ অস্ত্রের মালিক। এই দুই দেশ যখন মুখমুখি, তখন আমরা কল্পনা করতেই পারি যদি কথাও পারমাণবিক হামলা হলে তা কতটা ভয়ানক হবে।

বিস্ফোরণের সাথে হওয়া ব্লাস্ট ওয়েব সব কিছু মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে। আশে পাশের সব কিছু এমন ভাবে মিশিয়ে  দেবে জানো এই খানে কখন ও কোন কিছুর অস্তিত্ত ছিল না।  মানুষ, পশুপাখি, বাড়িঘর সব কিছু তুলোর মত উড়ে যাবে।

বালি আর ধুলোবালি তে পুরো আকাশ ভরে যাবে। থাকবে চামড়া ঝলসানো তাপ আর জীবন ঘাতী তেজস্ক্রিয়। 
বিস্ফোরণের স্থানের তাপ এতটাই বেশি হবে যে, এর ভেতর আর আশে পাশের সব কিছু বাষ্পে পরিনত হবে। ছাই আর বাষ্প মিলে তৈরি করবে বিশাল এক মাশরুম ক্লাউড।

জাপানের সেই বিভীষিকায় ৫০ শতাংশ মানুষ মারা যায় তীব্র আলোর ঝলকানি তে। এই আলো অনেক দূর থেকে দেখলেও অন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্বভনা আছে। নতুন করে সেই সব অঞ্চলে সভ্যতা গরেতুলতে হয়ত কয়েক শত বছর লেগে জেতে পারে। 

অথবা হয়ত কখন আর মানুষ সেই সব স্থানে বাস করতেই পারবে না।

আরও BUZZ

২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল: অ্যান্টার্কটিকার বরফে ‘ভূতের’ খোঁজ, নিউট্রিনো কীভাবে বদলে দিচ্ছে মহাবিশ্বকে দেখার ধারণা?

নানা পাটেকর: অভিনয়জীবন, জনপ্রিয় সিনেমা, ব্যক্তিগত জীবন ও সংগ্রামের গল্প

সেশ্যেলস আইল্যান্ডে নেচার ট্রেইল চ্যালেঞ্জের তৃতীয় আসর

সিটি অব গড সিনেমা: ব্রাজিলের ফাভেলা অপরাধ ও দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতা

পিরামিড: মরুর বুকে লেখা অমরত্বের গল্প